শিরোনাম :
Logo ‘মামলা করতে বাধা না থাকায় ধর্ষণের পরিসংখ্যান বেড়েছে’— সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ‘দক্ষতাই আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার’: ডিসি রায়হান কবির Logo হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড Logo ’শেখ মুজিবের পরিবর্তে ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে শিবির?’ Logo পাকা আমের সালাদ ও আমের শ্রিখণ্ড তৈরির সহজ রেসিপি Logo জাবির নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে বহিরাগত আটক Logo বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, কমতে পারে দেশের বাজারেও Logo টাইব্রেকারের নাটকে জার্মানিকে বিদায়, শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ে Logo জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল ব্রাজিল Logo রিয়া গোপের পরিবারকে ১ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা দিলেন নাসিক প্রশাসক
Advertisement Space

সারা দেশে শুরু ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন, ক্যাপসুল পাবে ২ কোটি ৩৫ লাখের বেশি শিশু

shahalam
স্বাস্থ্য ডেস্ক
  • আপডেট :
  • ১৪০০৮ বার দেখা হয়েছে
সারা দেশে শুরু ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন, ক্যাপসুল পাবে ২ কোটি ৩৫ লাখের বেশি শিশু
×

দেশজুড়ে শুরু হয়েছে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬। রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একযোগে পরিচালিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় পরিচালিত এ ক্যাম্পেইনে বয়সভেদে দুই ধরনের ক্যাপসুল বিতরণ করা হচ্ছে। ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের দেওয়া হবে নীল রঙের ভিটামিন ক্যাপসুল, আর ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের খাওয়ানো হবে লাল রঙের উচ্চমাত্রার ভিটামিন ক্যাপসুল

 

কতজন শিশু পাবে ভিটামিন ক্যাপসুল?

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী—

  • ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২৮ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৪ জন শিশুকে নীল রঙের ক্যাপসুল দেওয়া হবে।
  • ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ২ কোটি ৫ লাখ ৭৬ হাজার ১৭৮ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

আরও পড়ুন:

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৭০৮

 

কোথায় পাওয়া যাবে ক্যাপসুল?

দেশজুড়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্র এবং প্রায় ৫০০টি অস্থায়ী কেন্দ্র থেকে ক্যাপসুল বিতরণ করা হবে। বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও ফেরিঘাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে, যাতে ভ্রমণরত শিশুরাও সেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।

এই কার্যক্রম পরিচালনায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা দায়িত্ব পালন করবেন।

 

নির্ধারিত দিনে না গেলে কী করবেন?

যেসব শিশু নির্ধারিত দিনে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ করতে পারবে না, তারা পরদিন সংশ্লিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ক্যাপসুল গ্রহণ করতে পারবে।

এছাড়া দেশের ১২ জেলার ৫৮টি দুর্গম উপজেলায় বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় অতিরিক্ত চার দিন এই কার্যক্রম চলবে।

 

অভিভাবকদের প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আহ্বান

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর অভিভাবকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিকটস্থ কেন্দ্রে শিশুদের নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্যাপসুল শিশুর দৃষ্টিশক্তি রক্ষা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

 

ভিটামিন ক্যাম্পেইনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

বাংলাদেশে শিশুদের রাতকানা রোগ ও ভিটামিন ‘এ’-এর ঘাটতি প্রতিরোধে ১৯৭৩ সালে প্রথম ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কর্মসূচি চালু হয়। তখন এটি ‘জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম’ নামে পরিচিত ছিল।

 

১৯৯৫ সালে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে এই কার্যক্রম যুক্ত করা হয়। পরে ২০০৩ সালে এটি ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন’ নামে স্বতন্ত্র কর্মসূচিতে রূপ নেয়।

 

২০১১ সাল থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (NNS) অপারেশন প্ল্যানের আওতায় ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত কার্যক্রম চলার পর তা বন্ধ হয়ে যায়। ২০২৬ সালে পুনরায় এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছে এবং এর বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছে জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান

 

 

Advertisement Space

নিউজটি শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন

আরো পড়ুন
Advertisement Space 01

বিভাগের খবর

© 2026 News Alo All Rights Reserved.

Design & Developed BY:Host cell BD
ThemesCell