শিরোনাম :
Logo ‘মামলা করতে বাধা না থাকায় ধর্ষণের পরিসংখ্যান বেড়েছে’— সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ‘দক্ষতাই আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার’: ডিসি রায়হান কবির Logo হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড Logo ’শেখ মুজিবের পরিবর্তে ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে শিবির?’ Logo পাকা আমের সালাদ ও আমের শ্রিখণ্ড তৈরির সহজ রেসিপি Logo জাবির নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে বহিরাগত আটক Logo বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, কমতে পারে দেশের বাজারেও Logo টাইব্রেকারের নাটকে জার্মানিকে বিদায়, শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ে Logo জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল ব্রাজিল Logo রিয়া গোপের পরিবারকে ১ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা দিলেন নাসিক প্রশাসক
Advertisement Space

ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ এল নিনোর আশঙ্কা, খরা-বন্যায় বিপর্যস্ত হতে পারে বিশ্ব

shahalam
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট :
  • ১২৩০৮ বার দেখা হয়েছে
ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ এল নিনোর আশঙ্কা, খরা-বন্যায় বিপর্যস্ত হতে পারে বিশ্ব
×

বিশ্বের আবহাওয়া ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে এমন জলবায়ুগত ঘটনা এল নিনো আবারও সক্রিয় হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (NOAA) আনুষ্ঠানিকভাবে এল নিনোর সূচনা ঘোষণা করেছে। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, ২০২৬-২৭ সালের এই এল নিনো সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী ঘটনাগুলোর একটি হতে পারে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, শক্তিশালী এল নিনোর কারণে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ, দীর্ঘস্থায়ী খরা, আকস্মিক বন্যা, দাবানল এবং খাদ্য উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব দেখা দিতে পারে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) ইতোমধ্যে সতর্ক করেছে যে, এই জলবায়ুগত পরিবর্তন বৈশ্বিক তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাতের ধরনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।

 

এল নিনো মূলত নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ার ফলে সৃষ্টি হয়। এর প্রভাবে বায়ুপ্রবাহের স্বাভাবিক ধারা পরিবর্তিত হয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন দেখা দেয়। বিজ্ঞানীরা সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাত্রা দিয়ে এল নিনোর শক্তি নির্ধারণ করেন। চলতি এল নিনোকে ঘিরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পূর্বাভাসে বলা হচ্ছে, এটি খুব শক্তিশালী পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

আরও পড়ুন:

দক্ষিণ লেবাননের বাফার জোনে সেনা রাখবে ইসরায়েল, জানালেন নেতানিয়াহু

 

জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এল নিনো নিজে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্টি না হলেও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে মিলিত হয়ে এর প্রভাব আরও তীব্র হয়ে ওঠে। অতীতেও দেখা গেছে, ১৯৯৭-৯৮ এবং ২০১৫-১৬ সালের শক্তিশালী এল নিনোর পর বৈশ্বিক তাপমাত্রা নতুন রেকর্ড গড়েছিল। এবারও একই ধরনের পরিস্থিতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP) সতর্ক করেছে যে, সম্ভাব্য এল নিনোর প্রভাবে আফ্রিকা, এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের লাখো মানুষ খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এ কারণে ঝুঁকিপূর্ণ ২২টি দেশের প্রায় ৮৮ লাখ মানুষের জন্য আগাম সহায়তা কার্যক্রমের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, খরা ও বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ পুরোপুরি ঠেকানো সম্ভব না হলেও আগাম প্রস্তুতি, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, খরাসহিষ্ণু ফসলের ব্যবহার এবং দুর্যোগ মোকাবিলা পরিকল্পনা শক্তিশালী করার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।

 

তারা বলছেন, এল নিনোর সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় এখন থেকেই সরকার, কৃষি খাত ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি।

 

 

Advertisement Space

নিউজটি শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন

আরো পড়ুন
Advertisement Space 01

বিভাগের খবর

© 2026 News Alo All Rights Reserved.

Design & Developed BY:Host cell BD
ThemesCell