শিরোনাম :
Logo ‘মামলা করতে বাধা না থাকায় ধর্ষণের পরিসংখ্যান বেড়েছে’— সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo ‘দক্ষতাই আত্মনির্ভরশীল হওয়ার মূল হাতিয়ার’: ডিসি রায়হান কবির Logo হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড Logo ’শেখ মুজিবের পরিবর্তে ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাচ্ছে শিবির?’ Logo পাকা আমের সালাদ ও আমের শ্রিখণ্ড তৈরির সহজ রেসিপি Logo জাবির নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে বহিরাগত আটক Logo বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, কমতে পারে দেশের বাজারেও Logo টাইব্রেকারের নাটকে জার্মানিকে বিদায়, শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ে Logo জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল ব্রাজিল Logo রিয়া গোপের পরিবারকে ১ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা দিলেন নাসিক প্রশাসক
Advertisement Space

আজানের সময় কথা বলা কি পাপ? ইসলাম কী বলে জানুন

shahalam
ইসলাম ডেস্ক
  • আপডেট :
  • ১৩১০৮ বার দেখা হয়েছে
আজানের সময় কথা বলা কি পাপ? ইসলাম কী বলে জানুন
×

প্রশ্ন: আজানের সময় কথা বলা কি হারাম, নাজায়েজ বা গুনাহের কাজ?

উত্তর: ইসলামে আজান শোনা এবং মুয়াজ্জিনের কথার জবাব দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। তাই আজান শুরু হলে অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা বন্ধ রেখে মনোযোগ দিয়ে আজান শোনা এবং তার জবাব দেওয়া উত্তম।

 

হজরত আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন—

“যখন তোমরা আজান শুনবে, তখন মুয়াজ্জিন যা বলে, তোমরাও তার অনুরূপ বলো।”
(সহিহ বুখারি: ৬১১)

 

তবে শরিয়তের দৃষ্টিতে আজানের সময় কথা বলা বা প্রয়োজনীয় কোনো কাজ করা হারাম বা নাজায়েজ নয়। কেউ যদি আজানের সময় কথা বলে বা অন্য কাজে ব্যস্ত থাকে, তাহলে সে গুনাহগার হবে—এমন কোনো সহিহ দলিল নেই।

 

এ কারণে আজানের সময় কথা বলার জন্য কাউকে কঠোরভাবে ভর্ৎসনা করাও সঠিক নয়। কারণ, আজানের জবাব দেওয়া সুন্নত হলেও তা ফরজ বা ওয়াজিব নয়।

 

‘আজানের সময় কথা বললে ৪০ বছরের ইবাদত নষ্ট হয়’—এটি কি সত্য?

সমাজে প্রচলিত একটি বক্তব্য হলো, আজানের সময় কথা বললে ৪০ বছরের ইবাদত নষ্ট হয়ে যায়।

ইসলামী গবেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্যের পক্ষে কোনো সহিহ হাদিস নেই। বরং এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বর্ণনা।

আরও পড়ুন:

১০ মহররমের বিশেষ মর্যাদার প্রকৃত কারণ কী? কুরআন-হাদিসের আলোকে আশুরার ফজিলত ও ঐতিহাসিক সত্য

 

আজানের জবাব দেওয়ার নিয়ম

মুয়াজ্জিন আজানের যে বাক্যগুলো বলেন, সেগুলোর জবাব একইভাবে দেওয়া সুন্নত। তবে দুটি স্থানে ব্যতিক্রম রয়েছে।

মুয়াজ্জিন যখন বলেন

  • হাইয়া আলাস সালাহ
  • হাইয়া আলাল ফালাহ

তখন জবাবে বলতে হবে—

“লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।”

আর ফজরের আজানে মুয়াজ্জিন যখন বলেন—

“আস-সালাতু খাইরুম মিনান নাওম” (নামাজ ঘুমের চেয়ে উত্তম),

তখন জবাবে বলা উত্তম—

“সাদাকতা ওয়া বারারতা” (আপনি সত্য ও উত্তম কথা বলেছেন)।

 

আজানের জবাব দেওয়ার ফজিলত

হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কোনো ব্যক্তি যদি আন্তরিকতার সঙ্গে মুয়াজ্জিনের প্রতিটি বাক্যের যথাযথ জবাব দেয়, তবে সে জান্নাত লাভ করবে।

(সহিহ মুসলিম: ৩৮৫)

 

সুতরাং, আজানের সময় কথা বলা গুনাহ নয়। তবে আজানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন, মনোযোগ দিয়ে তা শোনা এবং সুন্নত অনুযায়ী জবাব দেওয়া একজন মুসলিমের জন্য অত্যন্ত উত্তম ও ফজিলতপূর্ণ আমল।

 

 

Advertisement Space

নিউজটি শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন

আরো পড়ুন
Advertisement Space 01

বিভাগের খবর

© 2026 News Alo All Rights Reserved.

Design & Developed BY:Host cell BD
ThemesCell